Sunday, December 1, 2013

পানি চক্র ও কোরান (water cycle and Quran)

please Click this link

পানি চক্র

পানি চক্র একটা সহজ সরল প্রসেস ,সাধারনত আমরা জানি ,সূর্যের তাপে পানি সমুদ্র , নদী নালা ,খাল বিল  থেকে  জলীয় বাষ্পে পরিনত হয় ,জলীয় বাষ্প গুলো ঠান্ডা হয়ে মেঘে পরিনত হয় |মেঘ গুলো আরো ঠান্ডা পরিবেশ পেয়ে ,বাষ্প গুলোকে  বায়ুর মাধ্যমে    সম্পৃক্ত করে বৃষ্টি হয়ে পরে | তারপরে বৃষ্টির পানি গুলো ,নদী নালা ,খাল বিল ,সমুদ্র পূর্ণ করে | কিছু অংশ মাটির ভিতরে জমা থাকে | সেই সব পানি মোটর  দিয়ে ,সেচ  কাজে এবং  বিভিন্ন কাজে আমরা ব্যবহার করি | গাছ  এবং বিভিন্ন লতা পাতা ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ  যে সব  পানি শোষণ করে বেড়ে উঠে এবং শর্করা উত্পন্ন  করে ( তা মাটি থেকে সংগ্রহিত পানি থেকে) |

এখন দেখি কোরান কি বলে -

Do you not see that Allah sends down rain from the sky and makes it flow as springs [and rivers] in the earth; then He produces thereby crops of varying colors; then they dry and you see them turned yellow; then He makes them [scattered] debris. Indeed in that is a reminder for those of understanding.(39:21)


And of His signs is [that] He shows you the lightening [causing] fear and aspiration, and He sends down rain from the sky by which He brings to life the earth after its lifelessness. Indeed in that are signs for a people who use reason.(30:24)

It is Allah who sends the winds, and they stir the clouds and spread them in the sky however He wills, and He makes them fragments so you see the rain emerge from within them. And when He causes it to fall upon whom He wills of His servants, immediately they rejoice .(30:48)

And We have sent down rain from the sky in a measured amount and settled it in the earth. And indeed, We are Able to take it away.(23:18)
And We have sent the fertilizing winds and sent down water from the sky and given you drink from it. And you are not its retainers.(15:22)

Do you not see that Allah drives clouds? Then He brings them together, then He makes them into a mass, and you see the rain emerge from within it. And He sends down from the sky, mountains [of clouds] within which is hail, and He strikes with it whom He wills and averts it from whom He wills. The flash of its lightening almost takes away the eyesight. (24:43)

And it is He who sends the winds as good tidings before His mercy, and We send down from the sky pure water (25:48)
That We may bring to life thereby a dead land and give it as drink to those We created of numerous livestock and men.(25:49)

Say, "Have you considered: if your water was to become sunken [into the earth], then who could bring you flowing water?"(67:30)

[It is He] who has made for you the earth as a bed [spread out] and inserted therein for you roadways and sent down from the sky, rain and produced thereby categories of various plants.(20:53)

And it is He who sends the winds as good tidings before His mercy until, when they have carried heavy rainclouds, We drive them to a dead land and We send down rain therein and bring forth thereby [some] of all the fruits. Thus will We bring forth the dead; perhaps you may be reminded.(7:57)

He sends down from the sky, rain, and valleys flow according to their capacity, and the torrent carries a rising foam. And from that [ore] which they heat in the fire, desiring adornments and utensils, is a foam like it. Thus Allah presents [the example of] truth and falsehood. As for the foam, it vanishes, [being] cast off; but as for that which benefits the people, it remains on the earth. Thus does Allah present examples.(13:17)

And it is Allah who sends the winds, and they stir the clouds, and We drive them to a dead land and give life thereby to the earth after its lifelessness. Thus is the resurrection. (35:9)

এখন এই খানেও তেনা প্যাচানোর হবে  ,এই খানে কিছু  উদ্ভব মস্তিস্কের ছাগু  দাবি করবে মুহাম্মদ (এর    আগে   কোন মুসলিম বা  গ্রিস  বিজ্ঞানী এই সব কথা লিখে গিয়েছেন |


ছাগু প্লীজ ,কোরানের  এর আগে কেউ  water cycle এর সঠিক  ধারণা দিয়েছিল  কিনা তা আগে প্রমান করুন |

Monday, November 4, 2013

ছাগলামিতে মতি কন্ঠই সেরা

মতি কন্ঠে  ইসলামকে কটাক্ষ করে বলেছে , "সুরা আল আনফালে আল্লাহপাক ষ্পস্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ‘আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব। কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাট জোড়ায় জোড়ায়।’"

ছাগল গুলো কি বুঝে না  যুদ্ধের সময় গর্দান না ফালিয়ে কি ,বসে বসে আঙ্গুল চোষ বে নাকি | যদি এতই মানবতাবাদী হয়ে থাকে ,তাহলে রাজাকারদের ফাসির দাবি করে কেন | আর ওই সব অবিশ্বাসী রা  ত মুসলমানদের সাথে আরো ভয়ঙ্কর আচরণ করেছে ,তাই    তাদের শাস্তি ওই রূপই ছিল |

আর    মূলত    এই    কথাটা আল্লাহ তালা ফেরশতাদের বলেছিলেন ,যারা কখনো যুদ্ধ করেনি ,যারা মানুষকে ঠিক মত মারতে ও জানেন না |  ফেরেশতাদের  পাঠানো  হয়েছিল মুসলিমদের সাহায্য এর জন্য  কারণ     তখন   মুসলিমদের সংখ্যা ছিল নগন্য ,আর অবিশ্বাসী দের সংখ্যা ছিল বেশি | আরেকটা    কারণ মুসলিমরা ছিল অত্যাচারিত আর অন্য দিকে অবিশ্বাসী রা ছিল অতাচারী | এখন ও  দেখা যায় মুসলিমরা অত্যাচারিত যেমন  বার্মা ,ইরাক ,আফগানিস্তান এবং ভারতের বিভিন্ন দাঙ্গায় মুসলিমরাই  মার খাচ্ছে  , শুধু  বর্তমানে নয় অতীতেও মুসলিমরা এমন  মার খেয়েছে  যেমন হালাকু খা  দ্বারা বাগদাদ ধ্বংস , পরে মুসলিমরাই এর শোধ নিয়েছে |

ছাগল গুলো কখনো এর সাথে শানে নুজুল ব্যাখ্যা করবে না ,এমনকি আয়াতের আগে পরে অংশ ও মাঝে মাঝে কাটছাট করবে | (যেগুলো শুনার পর লোকদের কাছে ব্যপারটা ক্লিয়ার হবে )

Sunday, August 11, 2013

কোরান কি বলে পৃথিবী সমতল

ইসলাম বিরোধীরা কিছু আয়াতের misinterpret করেছে ,এই কারণে ওই আয়াতগুলো তুলে ধরলাম 

And the heaven We constructed with strength, and indeed, We are [its] expander .Verse (51:47) 

"He Who has made for you the earth like a carpet spread out; has enabled you to go about therein by roads (and channels)...." The Holy Quran, Chapter 20, Verse 53

"And We have spread out the (spacious) earth: how excellently We do spread out!" The Holy Quran, Chapter 51, Verse 48
"O My servants who believe! truly. spacious is My Earth: therefore serve ye Me –(And Me alone)!"The Holy Quran, Chapter 29, Verse 56
"And Allah has made the earth for you as a carpet (spread out)." The Holy Qur'an, Chapter 71, Verse 19
এইখানে বাক্যটি শেষ নয় বাকি অংশটি নিচে দেওয়া আছে

"That ye may go about therein, in spacious roads." The Holy Quran, Chapter 71, Verse 20

এইখানে কার্পেট কথাটি দেখে অনেকে মনে করে পৃথিবী ফ্ল্যাট বা সমতল ,প্রকৃত পক্ষে তেমন বুঝানো হয় নাই | কার্পেট বলতে পৃথিবীর ভূতকের কথা বলা হয়েছে এখন আপনি বলতে পারেন কোরান কেন ভূত্বক শব্দটি উচ্চারণ করল না ,প্রথমত আল্লাহ তার ইচ্ছা অনুযায়ী বর্ণনা করেন ,যার ইচ্ছা সে বিশ্বাস করুক আবার যার ইচ্ছা নাই সে অবিশ্বাস করুক | আরেকটা কারণ হতে পারে তখনকার মানুষ এর ভূত্বক এর সম্পর্কে নলেজ ছিল না ,ভূত্বক এবং পৃথিবী সম্পর্কিত তাদের জ্ঞান ছিল খুব সীমিত | এই কারণে আল্লাহ তালা কার্পেট কথাটি বলেছেন যাতে লোকেরা অনুধাবন করতে পারে । ভূতকের ঘনত্ত মোটামোটি ৩০ মাইলের এর কাছা কাছি যদি পৃথিবীর ব্যাসাধের (3750 miles ) সাথে তুলনা করলে তা অনেক থিন |ভূত্বক এর নিচেও অনেক গুলো স্তর আছে ,গভীরের স্তর অনেক উত্তপ্ত ,তরল এবং জীবন ধারণের জন্য প্রতিকুল অবস্থায় রয়েছে | একমাত্র ভূত্বক ই solidified শেল যার উপর আমাদের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তুলা হয়েছে এবং যার উপর আমরা চলা চল করি | The Quran rightly refers to it like a carpet spread out, so that we can travel along its roads and paths | কোরানে এমন কোন আয়াত নাই যেখানে বলা আছে পৃথিবী ফ্ল্যাট বা সমতল | এখন কথা হল যারা কার্পেট কথাটি শুনার পর সমতলএর উপর বিছানো চিন্তা করে তারা কেন spherical বস্তুর উপর কার্পেট মুরানো চিন্তা করে না বরং এই" carpet spread out " কথাটি দ্বারা spherical বস্তুর উপর কার্পেট দিয়ে ঢাকা থাকাই সব থেকে যুক্তি যুক্ত | কারণ আমরা জানি যে পৃথিবী তার ভূত্বক কে সাথে নিয়ে প্রসারিত হচ্ছে এবং ভূত্বক এর উপর যেসব পাহাড় পর্বত রয়েছে তাদের সাথে নিয়ে প্রসারিত হচ্ছে |Please click this link...
http://www.expanding-earth.org/

Thursday, July 25, 2013

মুসলিমদের ব্যাপারে আমার একান্ত কিছু কথা

আমি হিন্দুদের প্রতি বিদ্দেষ পোষণ করি না ,(যদি না কেউ আমার, ইসলাম বা মুসলমানদের  প্রতি  বিদ্দেষ পোষণ না করে ) কারণ আমার সব চেয়ে কাছের বন্ধুটি হল হিন্দু (জিতু) ,যার সাথে খাওয়া ,দাওয়া সুখ দুঃখ   সব কিছু শেয়ার  করি | সে হিন্দু বন্ধুটি ইসলামকে এত  সন্মান করে ,একজন সেক্যুলার মুসলিম বোধ হয় তেমন সন্মান করে না | আমি যেখানে নামাজ  পড়ি ,সে জায়গায় সব সময় পরিস্কার করে রাখে | আমরা দুই জন একসাথে   কোরান তেলওয়াত শুনি ,কারণ তার কোরান তেলওয়াত শুনতে  ভাল লাগে |

আমার  আওয়ামীলীগ এবং জামাত শিবির কারোর প্রতি ক্ষোভ নাই , বরং আওয়ামীলীগের প্রতি আমার একটা  সফট কর্নার ছিল কারণ আমার পরিবারের অনেকেই আওয়ামীলীগ সাপোর্টআর |আমি জানি আওয়ামীলীগএ ও অনেক ভাল লোক আছে যারা সত্যিকার মুসলমান  (তবে আমি তাদের অনেক কিছুর  বিরোধী   ) | তেমন জামাতের  প্রতি আমার যে রাগ বা ক্ষোভ  ছিল এখন নাই ,কারণ  সব জামাত শিবির মানে যুদ্ধ অপরাধী না ,আর আমি অনলাইন এ যেসব ভাইদের দেখেছি  নাস্তিকদের সাথে লড়তে এদের অনেকে জামাত শিবিরের সাথে জড়িত   | তবে  আমি রাজাকারেদের  অন্তরের অন্তস্থল থেকে ঘৃনা করি | কেউ যদি রাজাকার হয়ে থাকে তার শাস্তি পাওয়া উচিত | তার জন্য আন্দোলন বা  হরতাল করে দেশের ক্ষতি  করে কোন লাভ নাই | আর যেসব ভাইয়েরা জঙ্গি ,বোমা মারা এইসব সাপোর্ট করে তাদের বুঝানো উচিত যে এরা যেসব কাজ করছে আল্লাহ তলার  কাছে  তা পচ্ছন্দসই  নই এর প্রধান কারণ হল এই সবের কারণে নিরীহ লোক বেশী মারা যায় ,এতে সীমা লঙ্ঘন হচ্ছে  |

তোমাদের সাথে যারা অন্যায়ভাবে যুদ্ধ করতে চায় তাদের সাথে তোমরা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো , তবে সীমালঙ্ঘন করো না। কেননা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।" ( সূরা বাকারা : ১৯০ )

আর প্রতিটি মুসলমানই ইসলামের সন্মান বহন করে  ,আর যারা সীমালঙ্ঘন করছে তারা ইসলামের অমর্যদা  করছে কারণ আল্লাহ তালা কোরানে বলেছেন   মানব জাতির    কল্যানের জন্য মুসলমানদের সৃষ্টি করা হয়েছে | বোমা দিয়ে  দুই একটা অমুসলিম ,মুসলিম মেরে মানব জাতির বা ইসলামের  কোন কল্যাণ হচ্ছে না | যেখানে অমুসলিমদের উপাসকদের নিয়ে কটূক্ত করা ইসলামে চরম ভাবে নিষেধ   সেখানে অমুসলিম মারা ত কল্পনার বাইরে |

আমি কোন নাস্তিক কে ঘৃনা করি না যদি কেউ ইসলাম বা মুসলিমদের ঘৃনা না করে | কারণ আমি একসময় agnostic ছিলাম তখন মুসলমানদের প্রতি খুব বিরক্ত ছিলাম | এখন  মুসলিম |, ইসলাম এবং মুসলমাদের সব চেয়ে  বেশী ভালবাসি সে কাল হোক ,সাদা হোক ,আফ্রিকান হোক বা আমিরিকান  হোক ,আওয়ামীলীগ হোক বা জামাতি হোক ,হেফাজতি হোক বা হিজবুত হোক ,সে মুসলিম |
                                     আর সকল মুসলিম ভাই ভাই |

                                          সবাই একই শরীরের অংশ|

‘তোমরা মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না, যারা নিজেদের দ্বীনকে বিভক্ত বা বিচ্ছিন্ন করেছে এবং নিজেরা বিভিন্ন দলে-উপদলে বিভক্ত হয়েছে। (আসলে) প্রতিটি দলই তাদের নিজেদের কাছে যা কিছু আছে তা নিয়েই আনন্দে নিমগ্ন হয়ে রয়েছে।’ (আর রুম : ৩১-৩২)। 

অর্থ্যাৎ তাদের মত বিভক্ত ও পথভ্রষ্ট হয়ে যেয়োনা।' (সুরা যুখরুফ: ৪৩:৬৫) 

"নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা'আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে। " (সুরা আন'আম:৬:১৫৯)


"তোমরা সবাই মিলে শক্ত করে আল্লাহর রশি ধরো, বিভক্তিতে লিপ্ত হয়ে পড়োনা। আল্লাহর সেই অনুগ্রহকে স্মরণ রেখো, যা তিনি তোমাদের প্রতি করেছেন। তোমরা ছিলে পরস্পরের দুশমন। তিনি তোমাদের মনকে মিলিয়ে দিয়েছেন। আর তাঁরই কৃপায় তোমরা পরস্পর ভাই ভাই হয়ে গেছো। তোমরা আগুনে ভরা এক গভীর গর্তের কিনারে দাঁড়িয়েছিলে আর আল্লাহ তা থেকে তোমাদের রক্ষা করেছেন। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের সামনে তাঁর নিদর্শন সমূহ স্পষ্ট করে ধরেন, যাতে করে তোমরা তোমাদের কল্যাণের পথ লাভ করতে পারো’।" (সূরা ৩ আলে ইমরান: আয়াত ১০৩)




“হে মুমিনগণ, তোমরা তোমাদের ছাড়া অন্য
কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধরূপে গ্রহণ করো না।
তারা তোমাদের সর্বনাশ করতে ত্রুটি করবে না।
তারা তোমাদের মারাত্মক ক্ষতি কামনা করে।
তাদের মুখ থেকে তো শত্রুতা প্রকাশ
পেয়ে গিয়েছে। আর তাদের অন্তরসমূহ যা গোপন
করে তা মারাত্মক। অবশ্যই আমি তোমাদের জন্য
আয়াতসমূহ স্পষ্ট বর্ণনা করেছি।
যদি তোমরা উপলব্ধি করতে। শোন, তোমরাই
তো তাদেরকে ভালবাসা এবং তারা তোমাদেরকে
ভালবাসে না। অথচ তোমরা সব কিতাবের
প্রতি ঈমান রাখ। আর যখন তারা তোমাদের
সাথে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে, ‘আমরা ঈমান
এনেছি’। আর যখন তারা একান্তে মিলিত হয়,
তোমাদের উপর রাগে আঙ্গুল কামড়ায়। বল,
‘তোমরা তোমাদের রাগ নিয়ে মর’! নিশ্চয়
আল্লাহ তারা যা করে, তা পরিবেষ্টনকারী” ।
যদি তোমাদেরকে কোন ভালো কিছু স্পর্শ
করে তখন তাদেরকে কষ্ট দেয়, আর যদি তোমাদের
উপর কোন বিপদ-কষ্ট আপতিত হয়, তখন
তারা তাতে খুশি হয়। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত:
১১৮-১২০]

Monday, July 8, 2013

স্রষ্টার অস্তিত্ত না থাকলে

স্রষ্টার যদি অস্তিত্ত না থাকত নাস্তিকরা কেন  ,আমি সব থেকে  খুশি থাকতাম | কারণ স্রষ্টার অস্তিত্ত থাকা মানে আমাদের সব কৃত কর্মের জবাব দিহি করা ,আমরা হয় তো বা অনুধাবন করছি না ওই সময়ের পরিস্থিতি কত ভয়ঙ্কর হবে যখন  স্রষ্টার  সামনে উপস্থিত  করানো হবে   |একজন নাস্তিক যখন এক জন মুসলিমের সাথে তর্ক করে তার অনেক প্রচেষ্টা থাকে তর্কে জিতার বা সেই মুসলিমটিকে convince করার জন্য উঠে পরে লাগে | কিন্তু সে কখনো পারে না একজন মুসলিম কে  কনভিন্স করতে (বরং উল্টা  সে নিজেই কনভিন্স হয় )     কারণ যেখানে মুসলিমটি স্রষ্টার অস্তিত্তই অনুধাবন করছে  |এখন কথা হল নাস্তিকেরা প্রমান করে  দেখাক যে স্রষ্টার অস্তিত্ত যে নাই | তারা যেসব খোড়া যুক্তি  দেয়  স্রষ্টার অস্তিত্ত এর বিপক্ষে    এইসব কখনো গ্রহণ করার মত নয়   বরং  স্রষ্টার অস্তিত্ত এর পক্ষে যুক্তিই  স্ট্রং   |সবচেয়ে বড় কথা হল যুক্তি দিয়ে অনেক কিছুই  বিশ্লেসন করা যায় কিন্তু তাই বলে যে তা সত্যিই হবে এমন নয় ,দরকার পরে evidence এর | এখন মুসলিমরা কিভাবে  evidence    পেল যে  স্রষ্টার অস্তিত্ত আছে | স্রষ্টার অস্তিত্ত এর পক্ষের প্রধান  কারণ হল আল কোরান ,সেকেন্ড কারণ প্রফেট মুহাম্মদ (স) এর অস্তিত্ত | তৃতীয় কারণ হল  কোরানের মাধ্যমে অন্য কিতাব সমূহের সত্যায়ন এবং    মুহাম্মদ (স) যেসব ভবিষৎ বাণী করে গেছেন সেই সবের প্রতিফলন | এইগুলো  হল মুসলিমদের এভিডেন্স ,মুসলিমদের  evidence      গুলো যে সত্য নয় এর প্রমানের জন্য আল কোরান যে ভুল তা প্রমান করতে হবে |Robert Spencer ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা  যে কোরান ভুল প্রমান করার জন্য উঠে পরে লেগে গেছে তা আমরা অনেকে  জানি  এমনকি  বিভিন্ন ইসলামিক দেশগুলোতে তাদের প্রতিনিধি বা গোপন লোক  আছে সেই সব দেশে  Islamic  মুভমেন্ট প্রতিহত করার জন্য |অর্থাৎ পলিটিকাল ভাবে ইসলামকে defend   করতে এরা   সদা প্রস্তুত (সম্ভবত  নাস্তিকতার দাওয়াত দিচ্ছে তবে খুব গোপন এ ) | Frankly বলতে হচ্ছে কোরান  স্রষ্টার থেকে আসা কিতাব এর কোন সন্দেহ নেই তবে স্রষ্টা কোরানকে এমন ভাবে রচনা করেছেন যে কেউ একজন এর স্টাডি করে  তার  ঈমান আর বেড়ে যায় আবার অনেকে সেইম লেখা স্টাডি করে  বিভ্রান্ত হয়ে যায়  পরে    নাস্তিক বা অবিশ্বাসী হয়ে যায় | আসলে এইখানে স্রষ্টাই  কৌশল অবলম্বন করছেন |



আপনি তাহলে বলবেন স্রষ্টা তাহলে injustice   করছেন ,কিন্তু আল্লাহ কোরানে বলে দিয়েছেন আল্লাহ কারোর উপর অবিচার করেন না | তাহলে কেমনে কি !

  আল্লাহ তালাই আবার বলে দিয়েছে  কোরানের অনেক জায়গায়-  যারা আসলে ভাল মানুষ ,বিনয়ী ,তাওবা করে এবং  সত্যআশ্রয়ী (শুধু তাদের অভিপ্রায় থাকবে সত্যকে গ্রহণ করা কোন তেনা প্যাচানো নয় )  তাদের বিভ্রান্ত করবেন না ,শুধু খারাপ মানসিকতার  লোকদের তিনি বিভ্রান্ত করেন | এখন কথা হল কোরান ভুল বলে যেসব ব্যাখ্যা দেওয়া হয় সেই সব misinterpreted ছাড়া   কিছুই নয়   আগে ত বললাম আল্লাহ অনেককে কোরান দিয়েই বিভ্রান্ত করেন | ( আবার অনেকে কোরান  যে স্রষ্টা থেকে  আগত এর এভিডেন্স পেয়েছে   তারপরে এর বিরুদ্ধে যাচ্ছে )

বলুন, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং তিনি তাদেরকেই পথ দেখান যারা তাওবা করে এবং তাঁর অভিমুখী হয়।” (১৩:২৭)

[27] وَاللَّهُ يُريدُ أَن يَتوبَ عَلَيكُم وَيُريدُ الَّذينَ يَتَّبِعونَ الشَّهَوٰتِ أَن تَميلوا مَيلًا عَظيمًا
[27] আল্লাহ তোমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হতে চান, এবং যারা কামনা-বাসনার অনুসারী, তারা চায় যে, তোমরা পথ থেকে অনেক দূরে বিচ্যুত হয়ে পড়।[SURA NISA -27] 

وَمَن يَكسِب إِثمًا فَإِنَّما يَكسِبُهُ عَلىٰ نَفسِهِ ۚ وَكانَ اللَّهُ عَليمًا حَكيمًا
[111] যে কেউ পাপ করে, সে নিজের পক্ষেই করে। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।[SURA NISA -111] 

(তবে কেউ যদি বলে হাদিস ভুল আছে ,হাদিস ভুল থাকার ক্ষেত্রে লজিক থাকতে পারে তবে প্রমান ছাড়া ইসলামে কোন কিছুকে ভুল বলা  অবিশ্বাসীদের লক্ষণ  সও কেয়ার ফুল  )

বি দ্র : আমার লেখা পরে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না 

Sunday, July 7, 2013

হুমায়ুন আজাদ , অমুসলিম ইতিহাসবিদ ও মনীষী

মুসলমানের মুক্তি ঘটে নি, কারণ তারা অতীত ও তাদের মহাপুরুষদের সম্পর্কে কোনো সত্যনিষ্ঠ আলোচনা করতে দেয় না। - হুমায়ূন আজাদ। এই গেল হুমায়ুন আজাদের কথা 

তিনি এই কথাটি দ্বারা কি বুঝতে চাচ্ছেন আমি নিজেও বুঝি নাই | কারণ ইতিহাস আমার নিজের পছন্দের সাবজেক্ট  আমি নিজেও ছোট বেলা থেকে  মুসলিম মনিষীদের জীবন সংক্রান্ত বই কালেক্ট করে পরতাম | ইসলামের প্রতি আমার ভালবাসা সৃষ্টি হয়েছে তাদের জীবন ধারণা থেকে | তবে ইসলামের যিনি মহান ব্যক্তি তার সম্পর্কে ইতিহাসবিদ এবং মনিষীদের কিরূপ ধারণা তা নিচের কমেন্ট দেখে বুঝতে পারবেন |

এবার দেখুন মনিষী এবং ইতিহাস বিদরা মুসলিম এবং ইসলামের কথা কি বলে(click this line)


  •  Sir George Bernard Shaw in ‘The Genuine Islam,’ Vol. 1, No. 8, 1936. 


মুহাম্মদের ধর্মের প্রতি আমি সবসময় সুউচ্চ ধারণা পোষণ করি কারণ এর চমৎকার প্রাণবন্ততা। আমার কাছে মনে হয় এটাই একমাত্র ধর্ম যেটা সদা পরিবর্তনশীল জীবনযাত্রার সাথে অঙ্গীভূত হওয়ার ক্ষমতা রাখে যা প্রত্যেক যুগেই মানুষের হৃদয়ে আবেদন রাখতে সক্ষম। আমি তাঁর(মুহাম্মদ) সম্বন্ধে পড়াশোনা করেছি– চমৎকার একজন মানুষ এবং আমার মতে খ্রিস্টবিরোধী হওয়া সত্বেও তাঁকে অবশ্যই মানবতার ত্রাণকর্তা বলতে হবে। আমি বিশ্বাস করি তাঁর মতো ব্যক্তির নিকট যদি আধুনিক বিশ্বের একনায়কতন্ত্র অর্পণ করা হতো তবে এর সমস্যাগুলো তিনি এমনভাবে সফলতার সাথে সমাধান করতেন যা বহু প্রতিক্ষীত শান্তি ও সুখ আনয়ন করতো। আমি ভবিষ্যতবাণী করছি যে মুহাম্মদের ধর্মবিশ্বাস আগামীদিনের ইউরোপের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, যা ইতিমধ্যে বর্তমান ইউরোপে গ্রহণযোগ্যতা পেতে আরম্ভ করেছে। 


  • Thomas Carlyle in ‘Heroes and Hero Worship and the Heroic in History,’ 


1840 এ লোকটিকে (মুহাম্মদ) ঘিরে যে মিথ্যাগুলো (পশ্চিমা অপবাদ) পূন্জীভূত হয়ে আছে- যার ভালো অর্থ হতে পারে ধর্মান্ধতা, তা আমাদের নিজেদের জন্যই লজ্জাজনক। Mahatma Gandhi, statement published in ‘Young India,’1924. আমি জীবনগুলোর মধ্যে সেরা একজনের জীবন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম যিনি আজ লক্ষ কোটি মানুষের হৃদয়ে অবিতর্কিতভাবে স্থান নিয়ে আছেন…….যেকোন সময়ের চেয়ে আমি বেশী নিশ্চিত যে ইসলাম তরবারির মাধ্যমে সেইসব দিনগুলোতে মানুষের জীবন-ধারণ পদ্ধতিতে স্থান করে নেয়নি। ইসলামের প্রসারের কারণ হিসেবে কাজ করেছে নবীর দৃঢ় সরলতা, নিজেকে মূল্যহীন প্রতিভাত করা, ভবিষ্যতের ব্যাপারে সতর্ক ভাবনা, বন্ধু ও অনুসারীদের জন্য নিজেকে চরমভাবে উৎসর্গ করা, তাঁর অটল সাহস, ভয়হীনতা, ঈশ্বর এবং তাঁর(নবীর) ওপর অর্পিত দায়িত্বে অসীম বিশ্বাস। এ সব-ই মুসলমানদেরকে সকল বাঁধা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। যখন আমি মুহাম্মদের জীবনীর ২য় খন্ড বন্ধ করলাম তখন আমি খুব দু:খিত ছিলাম যে এই মহান মানুষটি সম্পর্কে আমার পড়ার আর কিছু বাকি থাকলো না।


  •  Dr. William Draper in ‘History of Intellectual Development of Europe’ 


জাস্টিনিয়ানের মৃত্যুর চার বছর পর, ৫৬৯ খ্রিস্টাব্দে আরবে একজন মানুষ জন্মগ্রহণ করেন যিনি সকলের চাইতে মানবজাতির ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন….অনেক সাম্রাজ্যের ধর্মীয় প্রধান হওয়া, মানবজাতির এক তৃতীয়াংশের প্রাত্যহিক জীবনের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করা– এসবকিছুই সৃষ্টিকর্তার দূত হিসেবে তাঁর উপাধির যথার্থতা প্রমাণ করে।


  •  Alphonse de LaMartaine in ‘Historie de la Turquie,’ Paris, 1854


উদ্দেশ্যের মহত্ব, লক্ষ্য অর্জনের উপায়সমূহের ক্ষুদ্রতা এবং আশ্চর্যজনক ফলাফল যদি অসাধারণ মানুষের তিনটি বৈশিষ্ট্য হয় তবে কে মুহাম্মদের সাথে ইতিহাসের অন্য কোন মহামানবের তুলনা করতে সাহস করবে ? বেশীরভাগ বিখ্যাত ব্যক্তি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন এবং সাম্রাজ্য তৈরী করেছেন। তাঁরা যদি কিছু প্রতিষ্ঠা করে থাকেন সেটা কিছুতেই জাগতিক ক্ষমতার চাইতে বেশি কিছু নয় যা প্রায়ই তাদের চোখের সামনে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই মানুষটি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন, সাম্রাজ্য, শাসক, লোকবল-ই পরিচালনা করেননি সেইসাথে তৎকালীন বিশ্বের লক্ষ-লক্ষ মানুষের জীবনকে আন্দোলিত করেছিলেন; সবচেয়ে বড় কথা হলো তিনি দেব-দেবী, ধর্মসমূহ, ধারণাগুলো, বিশ্বাসসমূহ এবং আত্মাগুলোকে আন্দোলিত করেছিলেন। দার্শনিক, বাগ্মী, বার্তাবাহক, আইনপ্রণেতা, নতুন ধারণার উদ্ভাবনকারী/ধারণাকে বাস্তবে রূপদানকারী, বাস্তব বিশ্বাসের পুনরুদ্ধারকারী…..বিশটি জাগতিক এবং একটি আধ্যাত্মিক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা-এই হলো মুহাম্মদ। মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব পরিমাপের যত মাপকাঠি আছে তার ভিত্তিতে বিবেচনা করলে আমরা নিজেদেরকে প্রশ্ন করতে পারি- মুহাম্মদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ আছে কি ?


  •  Michael H. Hart in ‘The 100, A Ranking of the Most Influential Persons In History,’ New York, 1978. 


মুহাম্মদকে সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষস্থান দেয়াটা অনেক পাঠককে আশ্চর্যান্বিত করতে পারে এবং অন্যদের মনে প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে, কিন্তু ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সেকুলার এবং ধর্মীয় উভয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ সফল ছিলেন। সম্ভবত ইসলামের ওপর মুহাম্মদের তুলনামূলক প্রভাব খ্রিস্টান ধর্মের ওপর যীশু ও সেইন্ট পলের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়ে বেশী।আমি মনে করি, ধর্মীয় ও সেকুলার উভয়ক্ষেত্রে প্রভাবের এই বিরল সমন্বয় যোগ্য ব্যাক্তি হিসেবেই মুহাম্মদকে মানবেতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী একক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভুত করেছে।


  •  W. Montgomery Watt in ‘Muhammad at Mecca,’ Oxford, 1953. 


নিজ আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সকল প্রকার কষ্ট সহ্য করা, তাঁকে যারা বিশ্বাস করতো এবং নেতা হিসেবে অনুসরণ করতো তাদের সুউচ্চ চারিত্রিক গুণাবলি, এবং মুহাম্মদের অর্জনের বিশালত্ব- এ সবকিছুই তাঁর সততার সাক্ষ্য দেয়। মনে করুন মুহাম্মদ একজন অসাধু ব্যাক্তি যিনি সমাধানের চেয়ে সমস্যাই বেশী সৃষ্টি করেছেন। অধিকন্তু, আর কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বই মুহাম্মদের মতো পাশ্চাত্যে এতবেশী অবমূল্যায়িত হয়নি……শুধুমাত্র যা বর্ণিত হয়েছে তার ভিত্তিতে নয়, আমরা যদি মুহাম্মদকে সামান্য পরিমাণও বুঝতে চাই তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সহকারে তাঁকে বিচার করতে হবে। আমরা যদি আমাদের অতীত থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভূলগুলো সংশোধন করতে চাই তবে এটা ভূলে গেলে চলবে না যে চুড়ান্ত প্রমাণ আপাতদৃষ্টিতে যা সত্য বলে প্রতীয়মান হয় তারচেয়ে অনেক কঠিন শর্ত। এবং এই ব্যাপারে প্রমাণ অর্জন সত্যিই দু:সাধ্য হবে।


  •  D. G. Hogarth in ‘Arabia’ 


গুরুত্বপূর্ণ অথবা তুচ্ছ, তাঁর দৈনন্দিন প্রতিটি আচার-আচরণ একটি অনুশাসনের সৃষ্টি করেছে যা লক্ষ-কোটি মানুষ বর্তমানকালেও সচেতনতার সাথে মেনে চলে। মানবজাতির কোন অংশ কতৃক আদর্শ বলে বিবেচিত আর কোন মানুষকেই মুহাম্মদের মতো এতো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করা হয়নি। খ্রিস্টধর্মের প্রতিষ্ঠাতার আচার-আচরণ তাঁর অনুসারীদের জীবন-যাপনকে নিয়ন্ত্রণ করেনি। অধিকন্তু, কোন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাই মুসলমানদের নবীর মতো এরকম অনুপম বৈশিষ্ট্য রেখে যায়নি।


  •  Gibbon in ‘The Decline and Fall of the Roman Empire’ 1823 


মুহাম্মদের মহত্বের ধারণা আড়ম্বড়পূর্ণ রাজকীয়তার ধারণাকে অস্বীকার করেছে। স্রষ্টার বার্তাবাহক পারিবারিক গৃহকর্মে নিবেদিত ছিলেন; তিনি আগুন জ্বালাতেন; ঘর ঝাড়ু দিতেন; ভেড়ার দুধ দোয়াতেন; এবং নিজ হাতে নিজের জুতা ও পোষাক মেরামত করতেন। পাপের প্রায়শ্চিত্তের ধারণা ও বৈরাগ্যবাদকে তিনি অস্বীকার করেছেন। তাঁকে কখনো অযথা দম্ভ প্রকাশ করতে দেখা যায়নি, একজন আরবের সাধারণ খাদ্যই ছিলো তাঁর আহার্য।


  •  Lane-Poole in ‘Speeches and Table Talk of the Prophet Muhammad’ 


তিনি যাদেরকে আশ্রয় দিতেন তাদের জন্য ছিলেন সবচেয়ে বিশ্বস্ত রক্ষাকারী, কথাবার্তায় ছিলেন অত্যন্ত মিষ্টভাষী ও নম্র। তাঁকে যারা দেখত তারা শ্রদ্ধায় পূর্ণ হতো; যারাই তাঁর কাছে এসেছিল তাঁকে ভালবেসেছিল; যারা তাঁর সম্বন্ধে বর্ণনা দিত তারা বলতো, ” তাঁর মতো মানুষ আগে বা পরে আমি কখনো দেখিনি।” তিনি ছিলেন অতি স্বল্পভাষী, কিন্তু যখন তিনি কথা বলতেন জোরের সাথে এবং সুচিন্তিতভাবে কথা বলতেন। এবং তিনি যা বলতেন তা কেউ ভুলতে পারতো না।


  • Edward  Gibbon and Simon Oakley in ‘History of the Saracen Empire,’ London, 1870 


প্রচার নয় মুহাম্মদের ধর্মের স্থায়িত্বই আমাদেরকে আশ্চর্যান্বিত করে। অকৃত্রিম এবং পূর্ণাংগ সম্মোহনকারী শক্তি যেটা তিনি মক্কা এবং মদীনায় অর্জন করেছিলেন সেটা বারশত বছর পরেও একই আছে কোরআনের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত তাঁর ভারতীয়, আফ্রিকান ও তুর্কী অনুসারীদের মধ্যে। প্রলুব্ধ/আক্রান্ত হওয়া সত্বেও মুসলমানরা তাদের মূল বিশ্বাস ক্ষয়প্রাপ্ত হতে দেয়নি। ” আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর দূত “-এটাই হলো ইসলামের সহজ এবং অপরিবর্তনীয় বিশ্বাস। বুদ্ধিবৃত্তিক ঈশ্বরের চেতনা কোন দৃশ্যমান মূর্তি দ্বারা হ্রাস পায়নি; নবীর মর্যাদা কখনো মানবীয় গুণাবলীর ব্যাপ্তি অতিক্রম করেনি। তাঁর জীবনধারণ পদ্ধতি শিষ্যদের কৃতজ্ঞতাবোধ ধরে রেখেছে যুক্তি ও ধর্মের সীমার মধ্যে।



  •  Jules Masserman in ‘Who Were Histories Great Leaders?’ in TIME Magazine, July 15, 1974 



নেতাদের অবশ্যই তিনধরনের কাজ সম্পাদন করতে হয়- অনুসারীদের মংগলের ব্যবস্থা করা, এমন একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি করা যেটাতে সাধারণ লোকজন তুলনামূলকভাবে নিরাপত্তা বোধ করে, এবং অনুসারীদের জন্য একটি পূর্ণাংগ বিশ্বাসের যোগান দেয়া। প্রথমটি বিবেচনায় নেতা হলেন লুই পাস্তুর এবং সাল্ক( Salk)। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় একদিকে গান্ধী ও কনফুসিয়াস এবং অন্যদিকে আলেকজান্ডার, সীজার ও হিটলার- এরা হলেন নেতা। যীশুখ্রিস্ট ও গৌতম বুদ্ধ তৃতীয়টি বিবেচনায় নেতা। সম্ভবত মুহাম্মদ হলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নেতা যিনি ওপরোক্ত তিনটি কার্যাবলীই সম্পাদন করেছেন। স্বল্প পরিসরে হলেও মুসাও একই কাজ করেছিলেন।


  •  Annie Besant in ‘The Life and Teachings of Mohammad,’ Madras, 1932. 



যে কেউ আরবের মহান নবীর জীবন এবং চরিত্র অধ্যয়ন করেন তার হৃদয়ে মহান নবীর প্রতি শ্রদ্ধার উদ্রেক না হয়ে পারে না, যিনি জেনেছেন তিনি(নবী) কিভাবে শিক্ষা দিতেন এবং বসবাস করতেন; তিনি ছিলেন স্রষ্টার মহান বার্তাবাহকদের অন্যতম। যদিও আমি আপনাদেরকে এখন যা বলবো তা অনেকের কাছে সুপরিচিত মনে হতে পারে, তথাপি যখনই আমি মুহাম্মদের জীবনী পুনরায় পাঠ করি প্রতিবারই আরবের মহান শিক্ষকের প্রতি আমার মনে মুগ্ধতা ও শ্রদ্ধার নতুন ভাব জাগ্রত হয়।


  •  W.C. Taylor in ‘The History of Muhammadanism and its Sects’ 



দরিদ্র লোকদের প্রতি তাঁর সদয়তা এত বেশী ছিল যে প্রায়ই পরিবার-পরিজনকে উপবাস করতে হতো। তিনি শুধু তাদের অভাব মোচন করেই তৃপ্ত হতেন না, তাদের সাথে কথা-বার্তা বলতেন এবং তাদের দু:খ-দুর্দশার জন্য গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করতেন। তিনি ছিলেন ঘনিষ্ট বন্ধু এবং বিশ্বস্ত সহযোগী।


  •  Reverend Bosworth Smith in ‘Muhammad and Muhammadanism,’ London, 1874. 



রাষ্ট্রপ্রধান একইসাথে উপাসনাগৃহের প্রধান, তিনি ছিলেন একই সাথে সীজার এবং পোপ; তিনি পোপ ছিলেন কিন্তু পোপের দুরহংকার ছাড়া, তিনি সীজার ছিলেন কিন্তু সীজারের মতো বিরাট সেনাবাহিনী ছাড়া, দেহরক্ষী ছাড়া, শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া, স্থায়ী কোন ভাতা ছাড়া। যদি আজ পর্যন্ত কোন মানুষ ন্যায়বিচারপূর্ণ স্বর্গীয় শাসন করে থাকে, তবে সেটা ছিলেন মুহাম্মদ।


  •   Dr. Gustav Weil in ‘History of the Islamic Peoples’ 


মুহাম্মদ ছিলেন তাঁর অনুসারীদের জন্য জাজ্বল্যমান দৃষ্টান্ত। তাঁর চরিত্র ছিল নিষ্কলুষ এবং দৃঢ়। তাঁর গৃহ, পোষাক, খাদ্য- সবই ছিল অতি সাধারণ। তিনি এতই নিরহংকার ছিলেন যে তাঁর সংগীদের কাছ থেকে বিশেষ কোন সম্মান গ্রহণ করতেন না কিংবা যে কাজ তিনি নিজে করতে পারতেন তাঁর জন্য অযথা ভৃত্যের সাহায্য নিতেন না। সবসময় সবার জন্য তাঁর দ্বার ছিল উন্মুক্ত ছিল। তিনি অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যেতেন এবং সবার প্রতি তাঁর অপরিসীম সহানুভূতি ছিল। তাঁর বদান্যতা ও মহানুভবতা ছিলো অসীম, সেইসাথে তিনি সবসময় অনুসরীদের মংগলের কথা চিন্তা করতেন।


  •  J.W.H. Stab in ‘Islam and its Founder’ 


তাঁর কাজের সীমা এবং স্থায়িত্ব বিবেচনা করলে শুধু মক্কার নবী হিসেবে নয় পৃথিবীর ইতিহাসে তিনি আরও দীপ্তিময়ভাবে জ্বলজ্বল করছেন।মানুষের বিখ্যাত হওয়ার মাপকাঠি অনুসারে বিচার করলে তাঁর সাথে অন্য কোন মরণশীলের খ্যাতি তুলনীয় হতে পারে কি ?


  •  Washington Irving in ‘Life of Muhammad,’ New York,1920



মুহাম্মদের সামরিক বিজয় তাঁর মাঝে কোন গর্ব ও অযথা দম্ভ জাগায়নি। প্রতিকূল দিনগুলোতে তাঁর আচার-ব্যবহার ও পোষাক-আশাক যেরকম সাধারণ ছিলো সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার পরও তা তিনি বজায় রেখেছিলে। রাজকীয় জাঁকজমক দূরে থাক, এমনকি কক্ষে ঢোকার পর তাঁর প্রতি কেউ বিশেষভাবে সম্মান প্রদর্শন করলে তিনি রেগে যেতেন। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের ভালোবাসার পাত্র কারণ সবাইকেই তিনি আতিথেয়তার সাথে গ্রহণ করতেন এবং মনোযোগ সহকারে তাদের অভিযোগ শুনতেন। ব্যক্তিগত লেন-দেনের ক্ষেত্রে ছিলেন ন্যায়পরায়ণ । বন্ধু-আগন্তুক, ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বল সবার সাথে সমতার সাথে ব্যবহার করতেন।


  •  Arthur Glyn Leonard in ‘Islam, Her Moral and Spiritual Values’ 



এটা ছিলো মুহাম্মদের মেধা, যে উদ্দীপনা তিনি ইসলামের মাধ্যমে আরবদের মাঝে সঞ্চারিত করেছিলেন তা তাদেরকে সুউচ্চ স্থানে আসন দিয়েছিল। যা তাদেরকে জড়তা ও গোত্রীয় সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত করে জাতীয় ঐক্যের সুমহান নিদর্শন গড়তে এবং সাম্রাজ্য গড়তে সাহায্য করেছিল। সেটা ছিলো মুহাম্মদের সমীহ উদ্রেককারী একত্ববাদ, সরলতা, মিতাচার এবং অকৃত্রিমতা যা আদর্শের প্রতি প্রতিষ্ঠাতার বিশ্বস্ততাকেই বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়, যা তাদের নৈতিকতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে শাণিত করেছিল।

  •  James Michener in ‘Islam: The Misunderstood Religion,’ Reader’s Digest, May 1955, pp. 68-70


ইতিহাসে আর কোন ধর্মই ইসলামের মতো এত দ্রুত বিস্তার লাভ করেনি। পাশ্চাত্যে এ বিশ্বাস অত্যন্ত দৃঢ়মূল যে ইসলামের এই প্রসার তরবারীর জোরেই সম্ভব হয়েছে। কিন্তু আধুনিক কোন বিজ্ঞজনই এ ধারণাকে গ্রহণ করেননি, এবং কোরআনেও বিবেকের/চিন্তার স্বাধীনতার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। বি দ্র : এবার কার কথা আমরা বিশ্বাস করব ,যার নেশাই ছিল নারী আর ভদকা যার মৃতুর পর মানুষ আনন্দ উদযাপন করে তার ,নাকি যারা ছিল ইতিহাসবিদ এবং মনিষী তাদের কথা |

ইতিহাসবিদ স্টানলি লেনপুল বলেছেন, 'জীবনে কখনো কাউকে মুহাম্মদ আঘাত করেননি। তিনি বলেছিলেন, কাউকে অভিশাপ দেওয়ার জন্য আমি প্রেরিত হয়নি, প্রেরিত হয়েছি বিশ্বজাহানের জন্য রহমতস্বরূপ।'



প্রাচ্য পণ্ডিত গিব 'মুহাম্মদ ডেনিজম' বইয়ে লিখেছেন, 'আজ এটি এক বিশ্বজনীন সত্য যে মুহাম্মদ নারীদের উচ্চতর মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছেন।

ইসলামে বিবাহের বয়স কত এবং কিছু বিভ্রান্তি 2

এত কিছু জানার পর নাস্তিকেরা ত্যানা পেচাবে তখন বলবে(please click this line for first part) :

এই ব্যাপারে আপনি কি নিশ্চিত যে শারীরিক সম্পর্ক হয় নাই |আপনাকে কোরানের এই নিন্মোক্ত আয়াত দেখাবে

(কোরান ২:২২২); আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয (ঋতু) সম্পর্কে। বলে দাও, এটা অশুচি। কাজেই তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রীগমন থেকে বিরত থাক। তখন পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হবে না, যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়। যখন উত্তম রূপে পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে, তখন গমন কর তাদের কাছে, যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে হুকুম দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন। 

তারপরে আপনাকে নিন্মোক্ত হাদিস দেখাবে

Bukhari: Book-1 : Volume-6 : Hadith-300; 
Narrated by Maimuna; 
Whenever Allah's Apostle wanted to fondle any of his wives during the periods [menses], he used to ask her to wear an Izar.

Bukhari: Book-1 : Volume-6 : Hadith-299; 
Narrated by Abdur-Rahman bin Al-Aswad; 
(on the authority of his father) 'Aisha said: "Whenever Allah's Apostle wanted to fondle anyone during her periods (menses), he used order her to put on an Izar and start fondling her." Aisha added, "None of you could control his sexual desires as the Prophet could."



Bukhari: Book-1 : Volume-6 : Hadith-298;
Narrated 'Aisha;
The prophet and I used to take a birth from a single pot while we were Junub. During the menses, he used to order me to put on Izar (dress worn below the waist) and used to fondle me. While in Itikaf, he used to bring his head near me and I would wash it while I used to be in my periods (menses).

  এই হাদিস গুলো দেখানোর পর বলবে তিনি কোরানের Directive  মানেননি।


এর উত্তর হল :

কোরান সৃষ্টি হয়েছে ধাপে ধাপে ,অনেক ঘটনা ঘটে গেছে যা কোরান পরে এসে নিষেধ করে ছিল |কিন্তু এই খানে  এমন যদি ঘটে এই ক্ষেত্রে অবাক হওয়ার কিছু নেই | তাছাড়া মানুষ বিয়ে করে কেন ,শুধু কি করার intercourse জন্য ,তার কি অন্য উদ্দেশ্য থাকতে পারে না | যেমন আমাদের দেশে বিয়ে হওয়ার আগে মেয়ে বা ছেলেদের স্টেটাস দেখে বিয়ে দেওয়া হয়,তাদের ভবিষৎ কথা চিন্তা করা বা তাদের ভবিষৎ কিভাবে যাবে সেসব | একটা বিয়ের উদ্দেস্য হতে পারে শুধু intercourse করার এই জন্য নয় এর অনেক উদ্দেশ্য নিয়ে হয় |

কোরানে এই আয়াতে " স্ত্রীগমন " বলতে সহবাস করার কথা বলা হয়েছে | কারণ কোরান লেখা হয়েছে অনেক শালীনতম ভাষায়,তাই অনেক কথাই কোরান রূপক ভাষা ইউজ করেছে | আর এইখানে হাদিসে "fondle" ইউজ করা হয়েছে সহবাস বুঝানোর ক্ষেত্রে না ,আলিঙ্গন আর সহবাস এক জিনিস হল না |
এই কারণে এই কথাটিও এড করা হয়েছে "'Aisha added, "None of you could control his sexual desires as the Prophet could."|

তাহলে কি বুঝা গেল : ইসলাম হায়েয অবস্থায় স্ত্রীর কাছে গমন করতে নিষেধ করে নাই কিন্তু যৌনসহবাস করতে নিষেধ করেছে |