Monday, July 8, 2013

স্রষ্টার অস্তিত্ত না থাকলে

স্রষ্টার যদি অস্তিত্ত না থাকত নাস্তিকরা কেন  ,আমি সব থেকে  খুশি থাকতাম | কারণ স্রষ্টার অস্তিত্ত থাকা মানে আমাদের সব কৃত কর্মের জবাব দিহি করা ,আমরা হয় তো বা অনুধাবন করছি না ওই সময়ের পরিস্থিতি কত ভয়ঙ্কর হবে যখন  স্রষ্টার  সামনে উপস্থিত  করানো হবে   |একজন নাস্তিক যখন এক জন মুসলিমের সাথে তর্ক করে তার অনেক প্রচেষ্টা থাকে তর্কে জিতার বা সেই মুসলিমটিকে convince করার জন্য উঠে পরে লাগে | কিন্তু সে কখনো পারে না একজন মুসলিম কে  কনভিন্স করতে (বরং উল্টা  সে নিজেই কনভিন্স হয় )     কারণ যেখানে মুসলিমটি স্রষ্টার অস্তিত্তই অনুধাবন করছে  |এখন কথা হল নাস্তিকেরা প্রমান করে  দেখাক যে স্রষ্টার অস্তিত্ত যে নাই | তারা যেসব খোড়া যুক্তি  দেয়  স্রষ্টার অস্তিত্ত এর বিপক্ষে    এইসব কখনো গ্রহণ করার মত নয়   বরং  স্রষ্টার অস্তিত্ত এর পক্ষে যুক্তিই  স্ট্রং   |সবচেয়ে বড় কথা হল যুক্তি দিয়ে অনেক কিছুই  বিশ্লেসন করা যায় কিন্তু তাই বলে যে তা সত্যিই হবে এমন নয় ,দরকার পরে evidence এর | এখন মুসলিমরা কিভাবে  evidence    পেল যে  স্রষ্টার অস্তিত্ত আছে | স্রষ্টার অস্তিত্ত এর পক্ষের প্রধান  কারণ হল আল কোরান ,সেকেন্ড কারণ প্রফেট মুহাম্মদ (স) এর অস্তিত্ত | তৃতীয় কারণ হল  কোরানের মাধ্যমে অন্য কিতাব সমূহের সত্যায়ন এবং    মুহাম্মদ (স) যেসব ভবিষৎ বাণী করে গেছেন সেই সবের প্রতিফলন | এইগুলো  হল মুসলিমদের এভিডেন্স ,মুসলিমদের  evidence      গুলো যে সত্য নয় এর প্রমানের জন্য আল কোরান যে ভুল তা প্রমান করতে হবে |Robert Spencer ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা  যে কোরান ভুল প্রমান করার জন্য উঠে পরে লেগে গেছে তা আমরা অনেকে  জানি  এমনকি  বিভিন্ন ইসলামিক দেশগুলোতে তাদের প্রতিনিধি বা গোপন লোক  আছে সেই সব দেশে  Islamic  মুভমেন্ট প্রতিহত করার জন্য |অর্থাৎ পলিটিকাল ভাবে ইসলামকে defend   করতে এরা   সদা প্রস্তুত (সম্ভবত  নাস্তিকতার দাওয়াত দিচ্ছে তবে খুব গোপন এ ) | Frankly বলতে হচ্ছে কোরান  স্রষ্টার থেকে আসা কিতাব এর কোন সন্দেহ নেই তবে স্রষ্টা কোরানকে এমন ভাবে রচনা করেছেন যে কেউ একজন এর স্টাডি করে  তার  ঈমান আর বেড়ে যায় আবার অনেকে সেইম লেখা স্টাডি করে  বিভ্রান্ত হয়ে যায়  পরে    নাস্তিক বা অবিশ্বাসী হয়ে যায় | আসলে এইখানে স্রষ্টাই  কৌশল অবলম্বন করছেন |



আপনি তাহলে বলবেন স্রষ্টা তাহলে injustice   করছেন ,কিন্তু আল্লাহ কোরানে বলে দিয়েছেন আল্লাহ কারোর উপর অবিচার করেন না | তাহলে কেমনে কি !

  আল্লাহ তালাই আবার বলে দিয়েছে  কোরানের অনেক জায়গায়-  যারা আসলে ভাল মানুষ ,বিনয়ী ,তাওবা করে এবং  সত্যআশ্রয়ী (শুধু তাদের অভিপ্রায় থাকবে সত্যকে গ্রহণ করা কোন তেনা প্যাচানো নয় )  তাদের বিভ্রান্ত করবেন না ,শুধু খারাপ মানসিকতার  লোকদের তিনি বিভ্রান্ত করেন | এখন কথা হল কোরান ভুল বলে যেসব ব্যাখ্যা দেওয়া হয় সেই সব misinterpreted ছাড়া   কিছুই নয়   আগে ত বললাম আল্লাহ অনেককে কোরান দিয়েই বিভ্রান্ত করেন | ( আবার অনেকে কোরান  যে স্রষ্টা থেকে  আগত এর এভিডেন্স পেয়েছে   তারপরে এর বিরুদ্ধে যাচ্ছে )

বলুন, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং তিনি তাদেরকেই পথ দেখান যারা তাওবা করে এবং তাঁর অভিমুখী হয়।” (১৩:২৭)

[27] وَاللَّهُ يُريدُ أَن يَتوبَ عَلَيكُم وَيُريدُ الَّذينَ يَتَّبِعونَ الشَّهَوٰتِ أَن تَميلوا مَيلًا عَظيمًا
[27] আল্লাহ তোমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হতে চান, এবং যারা কামনা-বাসনার অনুসারী, তারা চায় যে, তোমরা পথ থেকে অনেক দূরে বিচ্যুত হয়ে পড়।[SURA NISA -27] 

وَمَن يَكسِب إِثمًا فَإِنَّما يَكسِبُهُ عَلىٰ نَفسِهِ ۚ وَكانَ اللَّهُ عَليمًا حَكيمًا
[111] যে কেউ পাপ করে, সে নিজের পক্ষেই করে। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।[SURA NISA -111] 

(তবে কেউ যদি বলে হাদিস ভুল আছে ,হাদিস ভুল থাকার ক্ষেত্রে লজিক থাকতে পারে তবে প্রমান ছাড়া ইসলামে কোন কিছুকে ভুল বলা  অবিশ্বাসীদের লক্ষণ  সও কেয়ার ফুল  )

বি দ্র : আমার লেখা পরে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না 

No comments:

Post a Comment