Sunday, July 7, 2013

ইসলামে বিবাহের বয়স কত এবং কিছু বিভ্রান্তি |


দ্বিতীয় অংশ(please click here for 2nd part)

নাস্তিকেরা খালি chance এর উপর থাকে ,ইরাকে না কোথায় এক লোক নাতনিকে বিয়ে করেছে তখন এক ইসলাম বিদ্বেষ ই বলছে ইসলাম এ এমন বিয়ে অনুমতি আছে ,তাছাড়া সে বলছে মুহাম্মদ (স) তাহার ছেলের স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন | আবার সে বলছে মুহাম্মদ (স) নাকি আয়েশা (রা) কে ৬ বছর এ বিয়ে করেছে | সর্ব প্রথমে বলতে চাই ইসলামে সরা সরি ব্লাড রিলেটেড কারোর সাথে বিয়ে করা নিষেধ ( this is the link http://www.java-man.com/pages/marriage/marriage03.html) | 

রাসূল (স) এর কোন ছেলেই ছিলেন না ,যায়েদ ইবনে হারেসা (রা) ছিলেন রাসূল (স) এর দাস রাসূল (স) যাকে ছেলে হিসেবে ঘোষনা করেছিলেন |

এখন কথা হল কেন তিনি বিয়ে করলেন : 

তখন কার সময় আরবে প্রচলন ছিল যে, কোন লোক যদি কাউকে ছেলে হিসেবে ঘোষনা দেয় বা পিতা হিসেবে তখন তাকে আপন ছেলে বা পিতার সাথে তুলনা করা হত |এমনকি সম্পত্তি বন্টনের সময় ও ঘোষনা কৃত (পালক) ছেলে বা পিতা কে নিয়েও অংশীদার সাব্যস্ত করা হত | যা বিভিন্ন সময় সম্পত্তি বন্টনের অসমতা হেতু ,নানভাবে শৃঙ্খলা নষ্ট এবং হানা হানির রূপ ধারণ করে এই ব্যাপারে কোরান বলে -

আল্লাহ্ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর| আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ্ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত| অত:পর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে| আল্লাহ্র নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে (সুরা আল-আহ-যাবের আয়াত ৩৭ ) |
অর্থাৎ ইসলামে পালক ছেলে মেয়ে কে নিজেদের আপন ছেলে মেয়েদের সমান অধিকার দেয় নাই |

এবং তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের পুত্র করেননি। এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আল্লাহ ন্যায় কথা বলেন এবং পথ প্রদর্শন করেন। (৩৩:৪)

ধরুন আপনি আমার কেউ হন না ,কিন্তু আপনাকে আমি ভাই বা ছেলে হিসেবে ঘোষনা দিয়েছি ,তাই বলে কি আপনি আমার আপন ভাই বা ছেলের সমান মর্যাদা পেয়ে যাবেন |

মুহাম্মদ (স) এর সাথে আয়েশা (রা) এর বিয়ে নিয়ে এবার বলছি :


প্রথমে বলতে চাই ইসলাম পরিতন বয়সে বিবাহ করতে বলে এবং বিবাহের পূর্বে অনুমতি নিতে বলে যেমন এমন কিছু আয়াত -

আর যখন তোমাদের সন্তানরা বুদ্ধির সীমানায় পৌঁছে যায় ,তখন তাদের তেমনি অনুমতি নিয়ে আসা উচিত যেমন তাদের বড়রা অনুমতি নিয়ে থাকে ৷ এভাবে আল্লাহ তাঁর আয়াত তোমাদের সামনে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন এবং তিনি সবকিছু জানেন ও বিজ্ঞ৷ (QURAN 24:59)


আর এতিমদের পরীক্ষা করতে থাকো, যতদিন না তারা বিবাহযোগ্য বয়সে পৌঁছে যায়৷ তারপর যদি তোমরা তাদের মধ্যে যোগ্যতার সন্ধান পাও, তাহলে তাদের সম্পদ তাদের হাতে সোর্পদ করে দাও৷তারা বড় হয়ে নিজেদের অধিকার দাবী করবে, এ ভয়ে কখনো ইনসাফের সীমানা অতিক্রম করে তাদের সম্পদ তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না ৷ এতিমদের যে অভিভাবক সম্পদশালী হবে সে যেন পরহেজগারী অবলম্বন করে ( অর্থাৎ অর্থ গ্রহণ না করে) আর যে গরীব হবে সে যেন প্রচলিত পদ্ধতিতে খায় ৷ তারপর তাদের সম্পদ যখন তাদের হাতে সোপর্দ করতে যাবে তখন তাতে লোকদেরকে সাক্ষী বানাও৷ আর হিসেব নেবার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট৷(QURAN 4:6)

আয়েশা (রা) যখন রাসূল (স) এর ঘরে আসেন তখন ,তার বয়স ৯ বছর | 
তখনকার  ১৪০০ বছর আগের অবস্থা এবং বর্তমান অবস্থা ব্যাপক পার্থক্য,ছিল পরিবেশ গত ভিন্নতা ,শারীরিক ভিন্নতা আর ও অনেক কিছুর ভিন্নতা | | তাছাড়া হট ক্লাইমেট যুক্ত পরিবেশে মেয়েদের maturity অনেক আগে হয়ে যায় |অনেকদিন আগে রিসার্চ করে বই লেখা হয়েছিল সে খানে বলা হয়েছে :

"Women are marriageable in hot climates at eight, nine, and ten years of age; thus, childhood and marriage almost always go together there. They are old at twenty: thus reason in women is never found with beauty there… Therefore, when reason does not oppose it, it is very simple there for a man to leave his wife to take another and for polygamy to be introduced." Book 16 Montesquieu, (The Spirit of Laws pg. 264 - ২৬৫)

তাছাড়া রাসুল (স) কোন শারীরিক সম্পর্কের জন্য আয়েশা (রা) কে বিয়ে করেন নাই ,বিয়ে করছেন একটা গুরুত্তপুর্ন দায়িত্ত পালন করার জন্য |আমরা যে এখন এত হাদিস জানি তার অধিক জেনেছি আয়েশা (রা) থেকে |রাসুল (স) এর সময় হাদিস লেখা নিষেধ ছিল (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) ,কারণ তখন কোরান নাজিল হচ্ছিল ,কোরান তখন বিভিন্ন জায়গায় লেখে সংরক্ষণ করা হ্ত ,কোরান যাতে হাদিসের সাথে মিশে না যায় এই কারণেই হাদিস লেখা নিষেধ ছিল |হাদিস লেখা সংরক্ষণ করা হয়েছে রাসুল (স) এর মৃত্যুর অনেক পরে তখন যারা হাদিস মুখস্ত করে রাখত তখন তাদের মাঝে অন্যতম ছিলেন আয়েশা (রা) | অনেক হাদিস সংরক্ষণের জন্য তার অবদান ছিল অনেক বেশী |

1 comment:

  1. Bad people always are scattering hatred and falsehood without judgement . You said ,Prophet Muhammd (SW) was married with minor . if i say ,Where from you got this evidence ,you must show me the Hadith of Bukhari. But you are wrong sir ,you have no idea about the condition about 1500 years ago where physical and environmental situation are completely different from present time . FURTHER RESEARCH :

    "Women are marriageable in hot climates at eight, nine, and ten years of age; thus, childhood and marriage almost always go together there. They are old at twenty: thus reason in women is never found with beauty there… Therefore, when reason does not oppose it, it is very simple there for a man to leave his wife to take another and for polygamy to be introduced." Book 16 Montesquieu, The Spirit of Laws pg. 264 - 265.

    Islam always prefer to do marry after reaching suitable age , even take permission from children for marriage . Noble Quran said : And when the children among you reach puberty, let them ask permission [at all times] as those before them have done. Thus does Allah make clear to you His verses; and Allah is Knowing and Wise.(Quran-24:59)

    And test the orphans [in their abilities] until they reach marriageable age. Then if you perceive in them sound judgement, release their property to them. And do not consume it excessively and quickly, [anticipating] that they will grow up. And whoever, [when acting as guardian], is self-sufficient should refrain [from taking a fee]; and whoever is poor - let him take according to what is acceptable. Then when you release their property to them, bring witnesses upon them. And sufficient is Allah as Accountant.(Quran 4:6).
    So do not show your ignorance like stupid people ......

    ReplyDelete